চলতি প্রিমিয়ার লিগ মৌসুমে শুরুটা দারুণ করলেও চেলসির ধারাবাহিকতার অভাব এবার ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে। ঘরের মাঠে চালকের আসনে থাকা চেলসিকে ৩-০ ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়ে বড় চমক দেখিয়েছে ব্রেন্টফোর্ড। এই হারের মাধ্যমে লিগ টেবিলের শীর্ষস্থানে আর্সেনালের সঙ্গে চেলসির শিরোপা লড়াইয়ের দাবি বড় প্রশ্নের মুখে পড়ল। গত ৫ ম্যাচে ১২টি গোল হজম করে ব্লুজদের ভঙ্গুর রক্ষণভাগের চরম বেহাল দশাই উন্মোচিত হলো।
অন্যদিকে, এই ঐতিহাসিক জয়ের মাধ্যমে ১৯৩৮ সালের পর ঘরের মাঠে চেলসির বিরুদ্ধে প্রথম জয়ের স্বাদ পেল ব্রেন্টফোর্ড। চমৎকার ও শৃঙ্খলাবদ্ধ পারফরম্যান্সের ওপর ভর করে পয়েন্ট টেবিলের তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে তারা।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬) ব্রেন্টফোর্ডের কমিউনিটি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে চেলসি শুরুটা প্রাণবন্ত করেছিল। নবম মিনিটে পেদ্রো নেতোর দারুণ একটি শট অবিশ্বাস্য দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন ব্রেন্টফোর্ডের গোলরক্ষক কাওইমহিন কেলেহার। প্রথমার্ধে একাধিক সুযোগ হাতছাড়া করার খেসারত চেলসিকে দিতে হয় বিরতির পর।
ম্যাচের ৬০ মিনিটে এক সেট-পিস থেকে এগিয়ে যায় স্বাগতিক ব্রেন্টফোর্ড। মিকেল ডামসগার্ডের কর্নার থেকে জ্যানিক শুস্টার বল বাড়িয়ে দিলে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে দলকে এগিয়ে নেন জেইডন অ্যান্থনি।
গোল হজমের পর সমতায় ফিরতে মরিয়া চেলসি আক্রমণ বাড়ালেও ব্রেন্টফোর্ডের জমাট রক্ষণ ভাঙতে ব্যর্থ হয়। উল্টো ম্যাচের শেষভাগে চেলসির ওপর তাণ্ডব চালায় স্বাগতিকরা:
৮৩ মিনিট: মিকেল ডামসগার্ডের তৈরি করা দ্রুতগতির কাউন্টার অ্যাটাক থেকে কেভিন শেডের শট চেলসি গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ ফিরিয়ে দিলেও, ফিরতি বলে গোল করে ব্যবধান ২-০ করেন ইগর থিয়াগো।
৯০+ মিনিট (ইঞ্জুরি টাইম): কেভিন শেডের দূরপাল্লার ক্রস থেকে দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে ৩-০ গোলের জয় নিশ্চিত করেন ফাবিও কারভালহো।

