আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে জয়ের খুব কাছাকাছি গিয়েও সুযোগ নষ্টের মহড়ায় আফগানিস্তানকে অলআউট করতে পারল না বাংলাদেশ। একমাত্র টেস্টের পঞ্চম ও শেষ দিনে জয়ের জন্য টাইগারদের প্রয়োজন ছিল ৭টি উইকেট, আর আফগানদের সামনে লক্ষ্য ছিল ৩৪৭ রান। তবে ফিল্ডারদের সহজ ক্যাচ ও রান আউট মিসের সুযোগ নিয়ে শেষ ওভার পর্যন্ত ব্যাটিং চালিয়ে ম্যাচটি ড্র করতে সক্ষম হয় আফগানিস্তান।
অঘোষিত জয়ের আনন্দের হাসিমুখে মাঠ ছাড়ে আফগানরা, আর হাতছাড়া জয়ের আফসোসে পুড়তে হয় বাংলাদেশকে।
সেদিকুল্লাহ আতালের ঐতিহাসিক শতক: আফগানিস্তানের ওপেনার সেদিকুল্লাহ আতাল এক প্রান্ত আগলে রেখে ৩৩২ বলে ১১১ রানের এক অনবদ্য ইনিংস উপহার দেন। এটি তার অভিষেক টেস্ট সেঞ্চুরি এবং যেকোনো আফগান ব্যাটার হিসেবে টেস্টের চতুর্থ ইনিংসে সেঞ্চুরি করার প্রথম ঐতিহাসিক রেকর্ড।
ক্যাচ ও রান আউটের সুবর্ণ সুযোগ মিস: জয়ের জন্য যখন দরকার মাত্র ৩ উইকেট এবং হাতে বাকি ২১ ওভার, তখন পরপর দুই বলে দুটি সহজ রান আউটের সুযোগ হাতছাড়া করেন বাংলাদেশের ফিল্ডাররা। এরপর সহজ ক্যাচ মিসের সুযোগ নিয়ে শেষ উইকেটে ইয়ামিন আহমেদজাই ও কায়েস আহমেদ ১১০ বলে ৪৫ রানের মহামূল্যবান পার্টনারশিপ গড়েন।
কায়েস আহমেদের অপরাজিত লড়াই ও রেজাল্ট: আহমেদজাইকে মেহেদী মিরাজ ফেরালেও শেষ দুই উইকেটের দেখা মেলেনি। জিয়াউর রহমানকে সঙ্গী করে কায়েস আহমেদ ৮০ বলে অপরাজিত ৪৯ রানের দেয়াল তুলে ড্র নিশ্চিত করেন।
সংক্ষিপ্ত বোলিং বিশ্লেষণ: বাংলাদেশের হয়ে এবাদত হোসেন (৩ উইকেট) ও মেহেদী হাসান মিরাজ (৩ উইকেট) সেরা বোলিং করেন। তাইজুল ইসলাম পান ১ উইকেট।

