আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টের প্রথম দিনে দুর্দান্ত সূচনা করেও মিডল অর্ডারের ধারাবাহিক ব্যর্থতার খেসারত দিতে হলো বাংলাদেশকে। দুই ওপেনার তানজিদ তামিম ও সাদমান ইসলামের শতরানের উদ্বোধনী জুটির ওপর দাঁড়িয়ে বড় সংগ্রহের স্বপ্ন দেখলেও শেষ পর্যন্ত প্রথম দিন শেষে ৮ উইকেট হারিয়ে ৩১৭ রান সংগ্রহ করেছে টাইগাররা।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর ২০২৬) সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবির জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামে বাংলাদেশ।
ম্যাচের প্রথম দিনের উল্লেখযোগ্য ঘটনা ও টার্নিং পয়েন্টসমূহ:
উদ্বোধনী জুটিতে ১২৪ রানের রেকর্ড জুটি: ইনিংসের শুরু থেকেই আফগান বোলারদের ওপর চড়াও হন তানজিদ তামিম ও সাদমান ইসলাম। দারুণ ছন্দে থেকে তানজিদ মাত্র ৪১ বলেই নিজের ব্যক্তিগত অর্ধশতক পূর্ণ করেন। অপর প্রান্তে তাকে দুর্দান্ত সঙ্গ দেন সাদমান। কোনো উইকেট না হারিয়েই দলীয় শতক পার করে বাংলাদেশ।
তানজিদ ও সাদমানের বিদায়: দলীয় ১২৪ রানের মাথায় ইসমাত আলমের শিকার হয়ে সাজঘরে ফেরেন আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করা তানজিদ তামিম (৮৩)। এরপর থিতু হয়ে ফিফটি তুলে নিলেও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি সাদমান ইসলামও; তিনি ৬৭ রান করে আউট হন।
মিডল অর্ডারের বিপর্যয়: দুই ওপেনারের বিদায়ের পর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ। সেট হয়েও বড় ইনিংসে রূপ দিতে ব্যর্থ হন মুমিনুল হক (৩৯) ও অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত (২৯)। অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিম খাতা খোলার আগেই (০) সাজঘরে ফেরেন।
লিটন দাসের লড়াকু ফিফটি: মিডল অর্ডারের ব্যাটিং ধসের মুখে দলের ইনিংস মেরামত করার চেষ্টা করেন লিটন দাস ও মেহেদী হাসান মিরাজ। মিরাজ ২৪ রান করে আউট হলেও, দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে অর্ধশতক তুলে নেন লিটন। দিনশেষে ৫৩ রান করে তিনিও আউট হলে বড় সংগ্রহ গড়ার সুযোগ হাতছাড়া হয়।

