ক্রিকেট ইতিহাসে রেকর্ডের বন্যা ভাসিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দেওয়া পর্বতসম ৪০৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করে বিশাল জয় তুলে নিয়েছে ভারত। অধিনায়ক শুবমান গিলের ঐতিহাসিক ও দ্রুততম ডাবল সেঞ্চুরির ওপর ভর করে ৮ উইকেটে জিতেছে স্বাগতিক ভারত। এই অবিস্মরণীয় জয়ে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ এক ম্যাচ বাকি থাকতেই ২-০ তে নিশ্চিত করল ভারত।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬) দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে ওয়ানডে ইতিহাসে নিজেদের সর্বোচ্চ ৪০৫ রান সংগ্রহ করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কিন্তু সেই পাহাড়সম রানকেও অনায়াসে টপকে মাত্র ৪৩.৩ ওভারে (৩৯ বল হাতে রেখে) ২ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় ভারত।
টস হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটাররা রানের পাহাড় গড়ে তোলেন:
৩ সেঞ্চুরিয়ান: জন ক্যাম্পবেল, শাই হোপ এবং আমির জাঙ্গু—তিনজনের অনবদ্য শতকে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৭ উইকেটে ৪০৫ রানের বিশাল সংগ্রহ দাঁড় করায় ক্যারিবীয়রা।
ওয়ানডে ইতিহাসে এটি ভারতের বিপক্ষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ।
ভারতের ঐতিহাসিক রান তাড়া: গিল-রোহিত তাণ্ডব
৪০৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভারতের শুরু থেকেই ছিল আক্রমণাত্মক মনোভাব:
ওপেনিং জুটিতে ২৫৫ রান: অধিনায়ক শুবমান গিল ও রোহিত শর্মা মাত্র ১৩০ বলে দলের ২০০ এবং ১৭৮ বলে ৩০০ রান পার করিয়ে উদ্বোধনী জুটিতে ২৫৫ রান যোগ করেন।
রোহিতের দ্রুত শতক: রোহিত শর্মা ৭২ বলে ১০১ রান (১০ চার, ৬ ছয়) করে আউট হন। এরপর বিরাট কোহলি ১৯ বলে ২৯ রান করে বিদায় নেন।
গিলের বিশ্বরেকর্ড ডাবল সেঞ্চুরি:
ভারতের অধিনায়ক হিসেবে মাত্র ৬২ বলে শতক পূরণ করেন গিল।
দ্রুততম ডাবল সেঞ্চুরি: ওয়ানডে ক্রিকেটের ইতিহাসে মাত্র ১১৭ বলে দ্রুততম দ্বিশতকের বিশ্বরেকর্ড গড়েন গিল।
শেষ পর্যন্ত ১৩৩ বল খেলে ২৩৩ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি (২৬টি চার ও ৮টি ছয়)। তার সাথে রুতুরাজ গায়কোয়াড় ৩১ রানে অপরাজিত থাকেন।

