ত্রিনিদাদে সিরিজের প্রথম টেস্টে পাকিস্তানকে ৯০ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে দুর্দান্ত এক জয় তুলে নিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। রোমাঞ্চকর এই ম্যাচটি ছোট-বড় বেশ কিছু নতুন রেকর্ড ও মাইলফলক তৈরি করেছে। সংখ্যার পাতায় সেই অনন্য রেকর্ড ও পরিসংখ্যানগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
২ — পাকিস্তানের দ্বিতীয় সর্বনিম্ন ব্যর্থ রান তাড়া
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে চতুর্থ ইনিংসে ২১১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র ১২০ রানেই গুটিয়ে যায় পাকিস্তান। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে টেস্ট ইতিহাসে এটি পাকিস্তানের দ্বিতীয় সর্বনিম্ন রান, যা তারা টপকাতে ব্যর্থ হলো। এর চেয়ে কম রানের লক্ষ্য তাড়া করে পাকিস্তান হেরেছিল ২০১৭ সালে ব্রিজটাউনে; সেবার ১৮৮ রানের লক্ষ্য পূরণ করতে পারেনি তারা।
২ — ১১ ম্যাচে ক্যারিবীয়দের দ্বিতীয় জয়
সর্বশেষ ১১টি টেস্টে এটি ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাত্র দ্বিতীয় জয়। এর আগের জয়টি এসেছিল সর্বশেষ সিরিজে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। এই সময়ে তারা হেরেছে ৭টিতে এবং ড্র করেছে ২টি ম্যাচে।
৪ — জেডেন সিলসের চতুর্থ ‘ফাইভ-ফর’
টেস্ট ক্যারিয়ারে এ নিয়ে চতুর্থবারের মতো ৫ উইকেট শিকারের মাইলফলক স্পর্শ করলেন ডানহাতি পেসার জেডেন সিলস। পাশাপাশি ২০১৮ সালে কিংস্টনে বাংলাদেশের বিপক্ষে জেসন হোল্ডারের ৫৯ রানে ৬ উইকেট নেওয়ার পর, ঘরের মাঠে টেস্টের চতুর্থ ইনিংসে কোনো ওয়েস্ট ইন্ডিজ পেসারের এটিই প্রথম পাঁচ উইকেটের কৃতিত্ব।
৫ — পঞ্চম সর্বনিম্ন স্কোর
চতুর্থ ইনিংসে মাত্র ১২০ রানে অলআউট হওয়া ইনিংসটি ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্টে পাকিস্তানের পঞ্চম সর্বনিম্ন স্কোর। এর আগে তাদের সর্বনিম্ন ইনিংসগুলো ছিল:
৭৭ রান (লাহোর, ১৯৮৬)
৮১ রান (ব্রিজটাউন, ২০১৭)
১০৪ রান (লাহোর, ১৯৫৯)
১০৬ রান (ব্রিজটাউন, ১৯৫৮)
৫ — পেসারদের ৪০ উইকেটের অনন্য বিশ্বরেকর্ড
ক্যারিবীয় অঞ্চলের টেস্ট ইতিহাসে এই প্রথম কোনো একক ম্যাচের পুরো ৪০টি উইকেটের সবকটিই নিলেন পেসাররা। এর আগে বিশ্ব টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে পুরো ৪০ উইকেট পেসারদের দখলে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে মাত্র পাঁচবার।
৮ — পাকিস্তানের টানা ৮ অ্যাওয়ে টেস্ট হার
২০২৩ সালের জুলাইয়ে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তাদের মাটিতে জয়ের পর থেকে দেশের বাইরে টানা আটটি টেস্ট হারল পাকিস্তান। বিদেশের মাটিতে টানা হারের এই ধারাটি পাকিস্তান টেস্ট দলটির পুরো ইতিহাসের দীর্ঘতম ও হতাশাজনক অধ্যায়।

