শেষ ওভারে জয়ের জন্য প্রয়োজন মাত্র ৫ রান, হাতে ৬ উইকেট। আপাতদৃষ্টিতে সহজ সমীকরণ মনে হলেও বুলাওয়ের মাঠে রূপ নিল চরম নাটকীয়তায়। ব্র্যাড ইভান্সের করা প্রথম ৩ বলেই ২ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ প্রায় হাতছাড়া করতে বসেছিল বাংলাদেশ।
চতুর্থ বলটি অলরাউন্ডার শেখ মেহেদীর প্যাডে আঘাত হানলে এলবিডব্লিউ-এর জোরালো আবেদন তোলে জিম্বাবুয়ে। তবে বল ডেলিভারির ঠিক আগ মুহূর্তে ব্যাটারের সামনে এক জিম্বাবুয়েন ফিল্ডার নড়াচড়া করায় আম্পায়ার তাৎক্ষণিকভাবে সেটিকে ‘ডেড বল’ ঘোষণা করেন। নাটকীয়ভাবে বেঁচে গিয়ে পরের বলেই দুর্দান্ত এক বাউন্ডারি হাঁকান মেহেদী। আর তাতেই ১৪৪ রানের লক্ষ্য পেরিয়ে ৪ উইকেটের শ্বাসরুদ্ধকর জয় পায় বাংলাদেশ। এই রোমাঞ্চকর জয়ে ৩ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজটি ২-১ ব্যবধানে নিজেদের করে নিল টাইগাররা।
১৪৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশ দলকে দারুণ সূচনা এনে দেন ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। পারভেজ হোসেন ইমন (২৪) ও তাওহিদ হৃদয়ের (২৪) বিদায়ের পর এক প্রান্তে যখন একের পর এক উইকেট পড়ে যাওয়ার মিছিল চলছিল, তখন অন্য প্রান্ত আগলে রেখে দলের জয় নিশ্চিত করেন তামিম। শেষ পর্যন্ত ৬৬ রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন এই বাঁহাতি ওপেনার। তাঁর এই ম্যাচজয়ী ইনিংসের ওপর ভর করেই শেষ মুহূর্তের স্নায়ুচাপ সামলে সিরিজ জয়ের উল্লাসে মাতে বাংলাদেশ।

