হিমালয়সংলগ্ন নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ভয়াবহ গলিত হিমবাহ ধসে (Glacial Collapse) সৃষ্ট আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৯০ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে শুধু নেপাল অংশেই অন্তত ৩৮৯ জনের মরদেহ উদ্ধার করেছে স্থানীয় পুলিশ। এ ঘটনায় সীমান্ত অঞ্চলজুড়ে নিখোঁজের সংখ্যা অন্তত ১,৫০০ ছুঁয়েছে।
মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছে নেপাল ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণ সংস্থাসমূহ। আল জাজিরা ও স্থানীয় গণমাধ্যমের বরাতে জানা যায়, তিব্বত সীমান্তবর্তী গায়রোং অঞ্চলের ভূমিধস এলাকা পরিদর্শন করে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং জরুরি উদ্ধার অভিযান জোরদার ও দুর্গতদের কাছে ত্রাণ পৌঁছানোর কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন।
অবকাঠামোগত ধ্বংসস্তূপ: আকস্মিক বন্যায় নদী তীরবর্তী সড়ক ও যোগাযোগ সেতুগুলো সম্পূর্ণ ভেঙে তছনছ হয়ে যাওয়ায় ভারী যন্ত্রপাতি নিয়ে দুর্গম অঞ্চলে পৌঁছানো মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
দ্বিতীয় দফা বন্যার আশঙ্কা: পাহাড়ি নদীর ওপরে ধ্বংসস্তূপ জমা হয়ে অস্থায়ী কৃত্রিম হ্রদের (Barrier Lake) সৃষ্টি হওয়ায় নতুন করে বাঁধ ভেঙে নিম্নাঞ্চলে পুনরায় মারাত্মক বন্যার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

