নেপালের রসুয়া ও নুয়াকোট জেলার ১২টি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গ ও ভূগর্ভস্থ স্থাপনায় আটকা পড়ে থাকা শত শত শ্রমিককে উদ্ধারে চরম সংকটের মুখে দাঁড়িয়ে মরিয়া অভিযান চালাচ্ছেন উদ্ধারকারীরা। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের মতে, নিখোঁজ ৯০০-এর বেশি জলবিদ্যুৎকর্মীর একটি বড় অংশ এই কাদা ও ধ্বংসাবশেষে মুখ বন্ধ হয়ে যাওয়া সুড়ঙ্গগুলোতে আটকা পড়ে আছেন।
সময় গড়ানোর সাথে সাথে সুড়ঙ্গের ভেতরে অক্সিজেনের মাত্রা কমতে থাকায় নেপাল সেনাবাহিনীর প্রকৌশলীদের সাথে ভারত ও চীনের বিষেশজ্ঞ দল উদ্ধারকাজে যুক্ত হয়েছে। দুর্গম ভূখণ্ড, ধ্বংসপ্রাপ্ত সেতু এবং ফুলেফেঁপে ওঠা ত্রিশূলী নদীর পরিবর্তিত গতিপথের কারণে সেনাসদস্যদের অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতে কাজ করতে হচ্ছে।
বিশাল কাদা ও ধ্বংসাবশেষ সরাতে মাটি কাটার যন্ত্রের পাশাপাশি আপার ত্রিশূলী প্রকল্পে বিস্ফোরক ব্যবহার করে রুট তৈরির চেষ্টা চালাচ্ছেন সেনাপ্রকৌশলীরা।
সাধারণ উদ্ধার নেপাল নিজে করলেও সুড়ঙ্গ অনুসন্ধানে চীনের ‘লাইফ ডিটেকশন’ যন্ত্র এবং ভারত ও চীনের পাঠানো ট্রাস সেতুর (Truss Bridges) ওপর নির্ভর করছে নেপাল।
নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ জানান, আবহাওয়া ও ভূখণ্ডের বৈরী পরিস্থিতির মধ্যেও প্রতিটি আটকে থাকা নাগরিককে উদ্ধারে সর্বোচ্চ চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

