ইরাকের অন্তত সাতটি প্রদেশে যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের যৌথ বিমান হামলায় দেশটির শিয়া মিলিশিয়া জোট পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেসের (PMF) অন্তত ২০ জন যোদ্ধা নিহত এবং আরও ৩২ জন আহত হয়েছেন।
আজ বুধবার (২৯ জুলাই) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে জানানো হয়, রাজধানী বাগদাদসহ ওয়াসিত, নিনাওয়া, বসরা, কিরকুক, কারবালা এবং দিয়ালার বিভিন্ন সামরিক অবস্থানে জোরালো হামলা চালিয়েছে মার্কিন ও সৌদি যুদ্ধবিমান। রাষ্ট্রীয় সমর্থনপুষ্ট এই আধাসামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রাথমিক মূল্যায়নে হতাহতের এই সংখ্যা পাওয়া গেছে; উদ্ধারকাজ ও পরিস্থিতি পর্যালোচনার পর এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
হামলার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতি
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (CENTCOM) এবং সৌদি বিমান বাহিনী যৌথভাবে এই অভিযান পরিচালনা করে। জানানো হয়েছে, গত ৭২ ঘণ্টায় ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলোর ধারাবাহিক ড্রোন হামলার জবাবেই এই পাল্টা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
যৌথ বিমান হামলায় পিএমএফ-এর বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত ভবন, সামরিক যানবাহন এবং বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন ও ইরাক সরকারের প্রতিক্রিয়া
ইরাকের ভূখণ্ডে এই ধরনের সামরিক অভিযানকে দেশটির আইন প্রয়োগ ও সার্বভৌমত্বের চরম লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এবং পরবর্তী করণীয় নির্ধারণে ইরাক সরকার ইতোমধ্যে এক উচ্চপর্যায়ের জরুরি বৈঠক আহ্বান করেছে।

