ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের খরচ ইতোমধ্যে ৪৭ বিলিয়ন (৪,৭০০ কোটি) ডলার ছাড়িয়ে গেছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স পেন্টাগনের একটি অপ্রকাশিত অভ্যন্তরীণ হিসাবের বরাতে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করেছে। গত জুলাই মাসে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের দেওয়া হিসাবের তুলনায় বর্তমানে এই যুদ্ধের ব্যয় ২৫ শতাংশেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।
আগামী ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের (Midterm Elections) ঠিক মুখে এই খবর সামনে আসায় মার্কিন রাজনীতিতে তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
পেন্টাগনের এই ব্যয় হিসাবটি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। রয়টার্সের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলেও মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। জুলাইয়ের তুলনায় খরচ ২৫% বৃদ্ধি পাওয়ার মাধ্যমে মার্কিন অর্থনীতি ও সামরিক বাজেটের ওপর অতিরিক্ত চাপ স্পষ্ট হয়েছে।
আগামী দুই বছরের জন্য মার্কিন কংগ্রেসের (প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট) নিয়ন্ত্রণ কার হাতে থাকবে, তা নির্ধারিত হবে ৩ নভেম্বরের নির্বাচনে। বর্তমানে উভয় কক্ষেই সামান্য ব্যবধানে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখা ক্ষমতাসীন রিপাবলিকান পার্টির নেতারা এই অজনপ্রিয় যুদ্ধ এবং এর রাজনৈতিক পরিণতি নিয়ে চরম উদ্বেগে রয়েছেন।
মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধের প্রভাব পড়েছে বিশ্বমানের জ্বালানি তেলের বাজারে। মূল্যস্ফীতি ও জ্বালানির দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ মার্কিন ভোটারদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে, যার সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পাবলিক অ্যাপ্রুভাল রেটিং (জনপ্রিয়তা) এবং রিপাবলিকান প্রার্থীদের প্রচারণায়।

