ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে নয়াদিল্লিতে বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’র (INDIA Alliance) নির্বাচন কমিশন কার্যালয় অভিমুখে প্রতিবাদ মিছিল চলাকালে কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভাদ্রাকে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ। বুধবার (৭ অক্টোবর ২০২৬) পার্লামেন্ট ভবন থেকে নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ের দিকে যাওয়া পথিমধ্যে তাকে আটক করা হয়।
কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের পাশাপাশি বিভিন্ন বিরোধী দলের সাংসদ ও নেতারা এই পদযাত্রায় অংশ নিয়েছিলেন। প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে আটকের পর রাজধানীর রাজপথে পুলিশ ও বিরোধী কর্মীদের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।
পার্লামেন্ট থেকে ইসি অভিমুখে মার্চ: প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে এবং তার অবিলম্বে পদত্যাগের দাবিতে বুধবার সকালে পার্লামেন্ট ভবন প্রাঙ্গণ থেকে একযোগে পদযাত্রা শুরু করেন বিরোধী জোটের শীর্ষ নেতারা।
প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে আটক: মিছিলটি নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ের কাছাকাছি পৌঁছানোর চেষ্টা করলে পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে তা আটকে দেয়। বাধা ভেঙে এগোনোর চেষ্টার সময় প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভাদ্রাসহ একাধিক বিরোধী প্রতিনিধিকে আটক করে পুলিশি গাড়িতে তোলা হয়।
এএপি নেতার চাঞ্চল্যকর দাবি: মিছিল শুরুর আগেই আম আদমি পার্টির (AAP) জ্যেষ্ঠ নেতা সৌরভ ভরদ্বাজ দাবি করেন যে সিইসি জ্ঞানেশ কুমার পদত্যাগ করতে পারেন বলে তারা তথ্য পেয়েছেন। তবে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এই গুঞ্জনের বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
নয়াদিল্লিতে থমথমে পরিস্থিতি: প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে আটকের ঘটনায় কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে বিরোধীরা। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে ইসি কার্যালয় ও আশপাশের এলাকায় কড়া নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত পুলিশ ও আধা-সামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

