যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি ব্যাপক মাত্রায় সম্প্রসারণ করেছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত ও ইরানের বিরুদ্ধে কৌশলগত সামরিক বিকল্প বৃদ্ধির লক্ষ্যে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (CENTCOM) আওতাধীন এলাকায় তৃতীয় বিমানবাহী রণতরি ‘ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট’ এবং একটি অতিরিক্ত মেরিন ডিভিশন মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
জেরুজালেম পোস্ট ও ইউএস নেভাল ইনস্টিটিউট নিউজের (USNI News) প্রতিবেদন অনুযায়ী, সান ফ্রান্সিসকো ও সান দিয়েগো থেকে রওয়ানা হওয়া এই শক্তিশালী মার্কিন নৌ ও মেরিন বহরগুলো ইতোমধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যের অভিমুখে অগ্রসর হচ্ছে।
পেন্টাগনের নতুন পরিকল্পনা ও ট্রানজিট সূচি অনুযায়ী নৌ বহরের অবস্থান নিচে দেওয়া হলো:
ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট (USS Theodore Roosevelt): সান ফ্রান্সিসকো থেকে যাত্রা শুরু করা এই পারমাণবিক শক্তিশালী ক্যারিয়ারটি সেন্টকম অঞ্চলে দায়িত্বরত ‘ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটন’-কে প্রতিস্থাপন করবে।
মাকিন আইল্যান্ড অ্যাম্ফিবিয়াস রেডি গ্রুপ: সান দিয়েগো থেকে রওয়ানা দেওয়া এই বহরে যুক্ত রয়েছে ‘১৩তম মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিট’। এতে প্রায় ২,২০০ মেরিন সেনা এবং ৩টি জাহাজে প্রায় ২,০০০ নাবিক অবস্থান করছেন।
আরব সাগরে বর্তমান উপস্থিতি: অঞ্চলে ইতোমধ্যেই মোতায়েন রয়েছে ‘ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটন’, ‘ইউএসএস জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ’ এবং ‘ইউএসএস বক্সার অ্যাম্ফিবিয়াস রেডি গ্রুপ’ (১১তম মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিটসহ)।

