হিমালয় অঞ্চলজুড়ে ভয়াবহ পাহাড়ি ঢল, কাদার স্রোত ও কাদা ধসের কারণে নেপালে মৃতের সংখ্যা তীব্র গতিতে বৃদ্ধি পেয়ে ১,০৯৩ জনে পৌঁছেছে। এখনও কয়েক হাজার মানুষ নিখোঁজ থাকায় প্রাণহানির সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা করছে দেশটির প্রশাসন।
উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতায় দেশটির সেনাবাহিনী ও পুলিশ বাহিনীর ১০ হাজারের বেশি সশস্ত্র সদস্যের সঙ্গে ভারত, চীন ও দক্ষিণ কোরিয়াসহ আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ উদ্ধারকারী দল সরাসরি অংশ নিয়েছে। ড্রোন, এয়ারস্পেস পর্যবেক্ষণ এবং ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে মিটার-গভীর কাদায় তল্লাশি জোরদার করা হয়েছে।
ন্যাশনাল ডিসাস্টার রিস্ক রিডাকশন অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অথরিটির তথ্যমতে, প্রাকৃতিক এই বিপর্যয়ে আক্রান্ত জেলাগুলোতে অন্তত ৩০০টির বেশি ভবন ও স্থাপনা সম্পূর্ণরূপে মাটির সঙ্গে মিশে গেছে। রাস্তাঘাট, হাইড্রোইলেকট্রিক প্রজেক্ট ও সেতু ধ্বংস হওয়ায় অন্তত ৩ মাস সময় লাগতে পারে ক্ষতিগ্রস্ত যোগাযোগ অবকাঠামো পুনর্নির্মাণ ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ফিরিয়ে আনতে।

