ভেনেজুয়েলার প্রায় ৬৫ বিলিয়ন ব্যারেল প্রমাণিত খনিজ তেলের নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র একটি ঐতিহাসিক চুক্তিতে আবদ্ধ হয়েছে বলে ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এটিকে “বিশ্বের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় তেল চুক্তি” হিসেবে অভিহিত করেছেন।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এবং ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজের যৌথ আলোচনার ভিত্তিতে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। প্রায় নয় মাস আগে মার্কিন সামরিক অভিযানে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ক্ষমতাচ্যুত হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেফতার হওয়ার পর ক্যারাকাসের রাজনীতি ও অর্থনীতিতে যে পরিবর্তন এসেছে, এই চুক্তি তারই এক বড় মাইলফলক। ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানির বৈশ্বিক মূল্য বৃদ্ধি ও অভ্যন্তরীণ বাজার সামাল দিতে মার্কিন প্রশাসন যখন চাপের মুখে, ঠিক তখনই এই বিশাল চুক্তির ঘোষণা এলো।
ইরান যুদ্ধের কারণে তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়া এবং মার্কিন কৌশলগত মজুত (SPR) হ্রাস পাওয়ার পর এই চুক্তি যুক্তরাষ্ট্রের ঘরোয়া তেলের দাম কমাতে সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ভেনেজুয়েলায় বিপুল তেল মজুত থাকলেও অবকাঠামোগত জরাজীর্ণতার কারণে মোট বৈশ্বিক উৎপাদনের মাত্র ১% উৎপাদিত হতো। নতুন মার্কিন যৌথ উদ্যোগের ফলে বেসরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাবে এবং খনিগুলোর আধুনিকায়ন তরান্বিত হবে।

