নেপালের উত্তরাঞ্চলে তিব্বত সীমান্ত-সংলগ্ন হিমালয় অঞ্চলে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনায় উদ্ধারকাজ চলছে জরুরি গতিতে। দুর্গম পাহাড়ি এলাকার বিভিন্ন স্থান থেকে এখন পর্যন্ত ১৬০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
পরিস্থিতির আশঙ্কাজনক অবনতি হওয়ায় বাগমতি প্রদেশসহ দুর্গত অঞ্চলগুলোতে জরুরি অবস্থা জারি রয়েছে। সাড়ে চারশ’র বেশি বিদেশি নাগরিকসহ এখনও ৮৪৪ জনেরও বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। এদের মধ্যে অন্তত ১৩৩ জন ভারতীয় নাগরিক ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, নেদারল্যান্ডস, মালয়েশিয়াসহ কমপক্ষে ২৮টি দেশের নাগরিক রয়েছেন।
বুধবার (২৬ আগস্ট ২০২৬) সকাল ৮:৩৭ মিনিটে প্রবল ভূকম্পন ও তুষার-আবহাওয়া বিপর্যয়ের পর নদীর স্বাভাবিক গতিপথ অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। পরবর্তীতে কাদা ও বরফমিশ্রিত প্রচণ্ড পাহাড়ি ঢল মধ্যাঞ্চলীয় রাসুয়া এলাকা এবং সীমান্ত সংলগ্ন স্থানগুলোতে আছড়ে পড়ে।
মানস সরোবর তীর্থযাত্রী ও পর্যটকদের ক্ষতি: পবিত্র মানস সরোবরের উদ্দেশ্যে যাওয়া শত শত তীর্থযাত্রী ও ট্রেকিংয়ে আসা পর্যটকরা কাদার ঢলে আটকা পড়েছেন অথবা পাহাড়ি কাদার নিচে নিখোঁজ রয়েছেন। সীমান্তবর্তী তিব্বতে প্রভাব: পাহাড়ি ঢল ও কাদার এই ধ্বংসাত্মক প্রভাবে সীমান্তের অপর পাশে চীনা ভূখণ্ড তিব্বতের জিরং পোর্টেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও অবকাঠামো ধ্বংস হয়েছে।

