যুক্তরাজ্য সরকারের বৈদেশিক সাহায্য কমানোর সিদ্ধান্তের প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের পরিবেশ ও জলবায়ু খাতে। সুন্দরবন উপকূলীয় অঞ্চলের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য পরিচালিত একটি প্রধান জলবায়ু অভিযোজন প্রকল্প নির্ধারিত সময়ের দুই বছর আগেই গুটিয়ে নেওয়া হচ্ছে। ফলে উপকূলীয় অঞ্চলের অন্তত হাজার হাজার জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ মানুষ দীর্ঘমেয়াদি সহায়তার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কায় পড়েছেন।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক উন্নয়ন সংস্থা প্র্যাকটিক্যাল অ্যাকশন পরিচালিত এ প্রকল্পটি ২০২৮ সাল পর্যন্ত চলার কথা থাকলেও সেপ্টেম্বর মাসেই এটি শেষ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
নেতিবাচক প্রভাব ও বর্তমান পরিস্থিতি
ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা অনিশ্চয়তায়: প্রকল্পের আওতায় সুবিধাভোগী ১৪০ জন প্রান্তিক উদ্যোক্তাকে ৫০ হাজার টাকা করে অনুদান ও প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল, যা এখন স্থবির হয়ে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।
যুক্তরাজ্যের দ্বিপক্ষীয় সহায়তা হ্রাস: ইউকে-বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় সহায়তা ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ৬ কোটি ৬৭ লাখ পাউন্ড থেকে কমিয়ে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৩ কোটি ১০ লাখ পাউন্ডে নামিয়ে আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে।
প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি বাড়ছে: মাটির লবণাক্ততা বৃদ্ধি, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং বারবার বয়ে যাওয়া ঘূর্ণিঝড়ের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে যখন তহবিল বৃদ্ধি জরুরি, ঠিক সে সময় অর্থায়ন কমে যাওয়া সুন্দরবন উপকূলের জন্য বড় ধাক্কা।

