ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ পূর্ব নুসা তেংগারায় আঘাত হানা ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫১ জনে দাঁড়িয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও দেশটির জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার (বিএনপিবি) বরাতে জানা গেছে, ভূমিকম্প ও তৎপরবর্তী একাধিক ভূমিধসে প্রায় ৫ হাজার মানুষ গৃহহীন ও বাস্তুচ্যুত হয়ে পড়েছেন।
গত শনিবারের এই ভূমিকম্পটির পর প্রায় ৩৪১টি আফটারশক রেকর্ড করা হয়েছে। এটিকে গত কয়েক বছরের মধ্যে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দেশটির অন্যতম ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয় হিসেবে দেখা হচ্ছে।
অনুসন্ধান ও উদ্ধার সংস্থা নিশ্চিত করেছে যে, ভূমিধসের কারণে দীর্ঘ সময় বিচ্ছিন্ন থাকা মাউমেরে এলাকায় উদ্ধারকর্মীরা পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছেন। তবে নিখোঁজদের অধিকাংশই ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়ে আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। মানবিক সংকট মোকাবিলায় পূর্ব নুসা তেংগারা প্রাদেশিক সরকার ‘জরুরি অবস্থা’ জারির বিষয়টি বিবেচনায় রেখেছে, যা কার্যকর হলে দ্রুত সরকারি তহবিল ও সম্পদ বরাদ্দ করা সম্ভব হবে।
উল্লেখ্য, ‘প্যাসিফিক রিং অব ফায়ার’-এ অবস্থিত হওয়ায় ২৯ কোটি মানুষের দেশ ইন্দোনেশিয়া টেকটোনিক প্লেটের ঘর্ষণে ক্রমাগত ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ঝুঁকিতে থাকে। ১৯৯২ সালেও একই উৎপত্তিস্থলের কাছে ৭.৫ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্পে অঞ্চলটিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল।

