টানা ১৩ দিন ধরে চালানো সামরিক অভিযান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে সাময়িক স্থগিত করার পর যখন মধ্যপ্রাচ্যে কূটনীতির আলোচনা শুরু হয়েছে, ঠিক তখনই ভিন্ন এক যুদ্ধক্ষেত্রে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার খবর পাওয়া গেল।
কাস্পিয়ান সাগরে নিজেদের একটি বাণিজ্যিক মালবাহী জাহাজে ইউক্রেন ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে ইরান। উক্ত হামলায় অন্তত এক নাবিক নিহত ও অপর একজন আহত হয়েছেন। এই ঘটনাকে ‘বৈরী ও অপরাধমূলক’ আখ্যা দিয়ে ইউক্রেনকে কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান।
হামলা ও জেলেনস্কির বক্তব্য
কাস্পিয়ান সাগরে সামরিক সরঞ্জাম বহনকারী বেশ কিছু নৌযানের বিরুদ্ধে দূরপাল্লার সফল হামলা চালানোর কথা নিশ্চিত করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। তিনি জানান, লক্ষ্যবস্তু হওয়া নৌযানগুলো সরাসরি ইরানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এবং সামরিক সরবরাহে ব্যবহৃত হচ্ছিল।
ইউক্রেনের গোয়েন্দা সংস্থা (এসবিইউ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানায়:
“আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার আওতাভুক্ত এবং ইরান ও রাশিয়ার মধ্যে সামরিক উপকরণ পারাপারে ব্যবহৃত একাধিক মালবাহী জাহাজে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।”
ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএ (IRNA) দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে জানায়, গত শনিবার সকালে কাস্পিয়ান সাগরে হামলাটির ফলে জাহাজটিতে বিকট বিস্ফোরণ ঘটে। তবে তেহরান পুনর্ব্যক্ত করেছে যে, রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাতের শুরু থেকেই ইরান সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রেখেছে এবং কোনোপক্ষে হস্তক্ষেপ করেনি।

