বিগত সরকারের আমলে দেশের শিক্ষকরা পদে পদে বঞ্চনা, অবহেলা ও বৈষম্যের শিকার হয়েছেন উল্লেখ করে শিক্ষকদের মর্যাদা ও অধিকার সুরক্ষায় যথাযথ মূল্যায়নের উদ্যোগ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি জানান, শিক্ষা ব্যবস্থার সার্বিক গুণগত মানোন্নয়ন ও শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের বৈষম্য নিরসনে পেশাগত যোগ্যতা ও স্বচ্ছ নীতিমালার ভিত্তিতে পুরস্কার ও সম্মাননা প্রদান করা হবে।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬) দুপুরে সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন। মন্ত্রী জানান, বিগত সরকারের আমলে শিক্ষক মূল্যায়নে চরম বৈষম্য করা হতো এবং নামমাত্র ১২ জন শিক্ষককে সম্মাননা দেওয়া হতো। বর্তমান সরকার সেই বঞ্চনা দূর করে আগামী ৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে দেশের ১০০ জন কৃতী শিক্ষককে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও পুরস্কার দেবে। এছাড়া শিক্ষকদের জন্য আধুনিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম আচরণবিধি প্রণয়ন এবং অবসরে যাওয়া শিক্ষকদের পেনশন জটিলতা চিরতরে নিরসনে মন্ত্রণালয় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করছে। একই সংবাদ সম্মেলনে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক জানান, সরকারি কর্মচারীদের মতো এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরাও পে-স্কেলের সার্বিক সুবিধার আওতায় আসবেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশিকা জারি হলে পুরোপুরি স্পষ্ট হবে।

