ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের বিদায়ী হাইকমিশনার এম রিয়াজ হামিদুল্লাহ রোববার (৪ অক্টোবর ২০২৬) নয়াদিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্করের সঙ্গে এক সৌজন্য ও বিদায়ী সাক্ষাৎ পরিচালনা করেছেন। অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ এই বৈঠকে বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বহুমাত্রিক ধারা সুসংহত রাখা এবং দুই প্রতিবেশীর মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগের ধারাবাহিকতা রক্ষা করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়।
পেশাদার কূটনীতিক এম রিয়াজ হামিদুল্লাহ ভারতে তাঁর নির্ধারিত মেয়াদ সফলতার সঙ্গে সমাপ্ত করছেন। দায়িত্ব পালনকালে ঢাকা-নয়াদিল্লি কৌশলগত ও ভৌগোলিক সম্পর্ক গভীর করতে তিনি যেসব উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন, বৈঠকে তার ভূয়সী প্রশংসা করা হয়।
বৈঠক শেষে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্কর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) হাইকমিশনারের অবদানের কথা স্মরণ করে লেখেন:
বিদায়ী শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ: “নয়া দিল্লিতে বাংলাদেশের বিদায়ী হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহকে বিদায়ী সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানে গ্রহণ করতে পেরে আনন্দিত। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরালো করতে তার অসামান্য অবদানের জন্য ধন্যবাদ জানাই এবং তার উত্তরোত্তর সাফল্য ও ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের জন্য আন্তরিক শুভকামনা জানাচ্ছি।”
সম্পর্কের ধারাবাহিকতা: বৈঠকে উভয় পক্ষই জোর দিয়ে বলেছেন যে দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির প্রেক্ষাপটে আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির স্বার্থে ভারত ও বাংলাদেশের অংশীদারিত্ব অব্যাহত রাখা অত্যন্ত জরুরি।
বিশ্লেষকদের মতামত: আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেছেন যে, বর্তমান দক্ষিণ এশীয় ভূ-রাজনৈতিক বাস্তবতায় দুই দেশের ভৌগোলিক ও অর্থনৈতিক বন্ধন সুদৃঢ় রাখতে এই ধরনের শীর্ষ কূটনৈতিক বিনিময় অমূল্য ভূমিকা রাখে।

