ঢাকা ও দিল্লির মধ্যকার বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের মধ্যে নানা চ্যালেঞ্জ থাকলেও দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর পর্যায়ভিত্তিক শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হলে এসব সমস্যার কার্যকর সমাধান সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সকালে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এই প্রত্যাশার কথা ব্যক্ত করেন।
কূটনৈতিক সম্পর্ক পর্যালোচনা করতে গিয়ে ভারতীয় হাইকমিশনার জানান, উভয় দেশের সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে ভারত ও বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট অসংখ্য ক্ষেত্র রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর: হাইকমিশনার উল্লেখ করেন যে, নির্দিষ্ট সময়সূচি এখনো চূড়ান্ত না হলেও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন ভারত সফর অনুষ্ঠিত হবে।
ধীরস্থির কূটনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি: দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অগ্রগতির বিষয়ে তিনি বলেন, “কোনো কিছু নিয়েই তাড়াহুড়োর প্রয়োজন নেই।” দুই দেশের সাধারণ জনগণও সম্পর্কের এই নতুন ও ইতিবাচক অধ্যায় দেখতে উদগ্রীব।
সাক্ষাৎ শেষে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান জানান, সৌজন্য সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সুনির্দিষ্ট সময়সূচি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়নি। মূলত এটি ছিল একটি ধন্যবাদ জ্ঞাপনসূচক বৈঠক, যেখানে দুই দেশ পারস্পরিক বন্ধুত্বের ভিত্তিতে কীভাবে একসাথে কাজ করে এগিয়ে যেতে পারে সে বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা সম্পন্ন হয়েছে।

