প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সুবিধাজনক ও যথাসময়ে ভারত সফরে যাবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। পরিবেশ সংরক্ষণ, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য এবং দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদারে বাংলাদেশ ও ভারত যৌথভাবে কাজ করে যাবে বলে তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬) দুপুরে সচিবালয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়কমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুর সাথে সৌজন্য বৈঠক শেষে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে ভারতীয় হাইকমিশনার এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন। হাইকমিশনার বলেন, “অর্থনীতি ও বাণিজ্যিক ইস্যুর পাশাপাশি ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে পরিবেশ ও জলবায়ু সম্পর্কিত একাধিক যৌথ চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এসব মোকাবিলায় দুই দেশ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করবে।” তিনি আরও যোগ করেন, নয়াদিল্লি সবসময় দুই প্রতিবেশী দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যে পিপল-টু-পিপল কানেকটিভিটি ও বাণিজ্যিক সুসম্পর্ক সুদৃঢ় করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
বৈঠক শেষে আলোচনার বিস্তারিত তুলে ধরে পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু জানান, ভারতের সাথে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক অংশীদারিত্ব অত্যন্ত গভীর। ভৌগোলিক ও প্রতিবেশী দেশ হিসেবে বাণিজ্য, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং সীমান্ত পরিবেশ সুরক্ষায় ভারত-বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক আলোচনা এবং কূটনৈতিক সহযোগিতার ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে।

