প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঐতিহাসিক জাপান সফরে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে সুদৃঢ় কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। সফরে দুই দেশের সরকারি পর্যায়ে ৪টি সমঝোতা স্মারক (MoU), ২টি অনুদান চুক্তি এবং ১টি অভিপ্রায়পত্র (LoI) স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর পাশাপাশি জাপান সরকার বাংলাদেশকে অতিরিক্ত দুটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
টোকিওস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির নিশ্চিত করেছেন যে, সরকারি চুক্তির পাশাপাশি দুই দেশের বেসরকারি খাতে আরও ১৭টি পৃথক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।
বাংলাদেশ পুলিশের সমুদ্র ও উপকূলীয় সক্ষমতা বাড়াতে ১ কোটি ৩৪ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার (প্রায় ১৩.৪৪ মিলিয়ন ডলার) অনুদান দেওয়ার চুক্তি নিশ্চিত করেছে জাপান সরকার।
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি কৃষি, বনায়ন ও মৎস্য খাতের বৈপ্লবিক সার্বিক সহযোগিতার জন্য একটি এবং মানবসম্পদ ও দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচির জন্য আলাদা একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে।
দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, প্রযুক্তি হস্তান্তর ও শিল্প বিনিয়োগ জোরদারে দুই দেশের ব্যবসায়িক প্রতিনিধি ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৭টি বাণিজ্যিক চুক্তি (Private Sector MoUs) সম্পাদিত হয়েছে।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকার জাপান-বাংলাদেশের মধ্যকার বিদ্যমান ঐতিহাসিক বন্ধুত্ব ও কৌশলগত অংশীদারিত্বকে নতুন উচ্চতায় উন্নীত করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

