স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বন্যাকবলিত এলাকার পরিস্থিতি তুলে ধরে জানান, দুর্গত মানুষের কষ্ট লাঘবে প্রশাসন ও বেসরকারি খাত একসঙ্গে কাজ করছে। সরকারের বিভিন্ন বিভাগ ইতিমধ্যেই মাঠপর্যায়ে উদ্ধার ও ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম শুরু করেছে।
ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচি শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চকরিয়ার ছড়াকুল এলাকায় বন্যায় মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ, গ্রামীণ সড়ক ও স্থানীয়দের বসতবাড়ি পরিদর্শনে যান। তিনি নিজে বন্যাকবলিত ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে গিয়ে কথা বলেন, তাদের দুর্ভোগ ও সমস্যার কথা শোনেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে টেকসই সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট স্থানীয় প্রশাসনকে দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের কড়া তাগিদ দেন।
বন্যাপরবর্তী পুনর্বাসন পরিকল্পনা নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, দেশের যেসব এলাকা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সেসব এলাকায় ইতিমধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে নিবিড় জরিপ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। এই জরিপ শেষ হওয়া মাত্রই ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বেড়িবাঁধসহ বিভিন্ন গ্রামীণ অবকাঠামো দ্রুত মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হবে। একই সাথে বন্যাকবলিত কৃষকদের পুনর্বাসন ও প্রয়োজনীয় প্রণোদনা দেওয়া হবে, যাতে তারা দ্রুত স্বাভাবিক ও স্বাবলম্বী জীবনে ফিরতে পারেন।

